ডিজিটাল বাংলাদেশের বাস্তবতা হলো, সরকার ই-গভর্নমেন্ট চালু করেছে, ই-কমার্সে দেশের মানুষ অভ্যস্ত হয়ে গেছে, মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস জনপ্রিয়তা পেয়েছে সবকিছুর পিছনের অবদান কিন্ত টেলিকম প্রতিষ্ঠানগুলোর। তারা এই করোনাকালীন সময়েও তাদের সেবা বন্ধ রাখেনি। ডিজিটাল বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাস্তবতা হলো ফাইভজি এইটা এখন স্বপ্ন নয়, বাস্তবতা। আমরা ফাইভজি টেস্টিং করেছি আশা করি ২০২১ সালের মধ্যে আমরা ফাইভজি পাবো এমনটাই মনে করেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের মহাপরিচালক জেনারেল মোঃ মোস্তফা কামাল।

রবিবার (১১ অক্টোবর) অনলাইন অনুপ্রেরণামূলক শো ‘ইন্সপায়ারিং বাংলাদেশ’ এর সিজন ২-তে এই কথা বলেন তিনি।

ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে টেলিকম রেগুলেটরির কাজ হলো অ্যামপায়ারের মত। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সাথে ভালো পরিবেশ ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি করা। এর ফলে গ্রাহক ভালো সেবা পাবে। গ্রামের একজন গ্রাহকের উন্নত সেবা দেয়ায় আমাদের টেলিকম রেগুলেটরির মূল উদ্দেশ্য ভার্চুয়াল শোতে তিনি এই কথা বলেন।

টেলিকম ও আইএসপি প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রশংসা করে মোস্তফা কামাল বলেন, করোনার সময় অনলাইনে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করেছে, অফিস বাসা থেকে করেছে এইটা সম্ভব হয়ে টেলিকম এবং আইএসপি কোম্পানিগুলোর জন্য।

রবি আজিয়াটা লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মাহতাব উদ্দিন আহমেদ ভার্চুয়াল শোতে বলেন, করোনাকালীন সময়ে ডিজিটাল মাধ্যমে কি ধরনের সেবা দিতে পারি এই নিয়ে শুরু থেকেই আমাদের চিন্তা ছিল তখন আমরা কিভাবে অ্যাপ এবং ক্লাউড মাধ্যম ব্যবহার করে ট্রেকিং টুল ব্যবহার করা যায় তা নিয়ে কাজ করি এবং তা বাস্তবায়ন করি। এটুআই আমাদের সহযোগিতায় ছিল। করোনাকালীন সময়ে সবচেয়ে বেশি গুরত্ব বহন করেছে হেলথ সেবা এইটা আমরা উন্নত করেছি।

এই ক্রাইসিস মুহূর্তে অনেক প্রতিষ্ঠান তাদের সেবা সেবা করেছে বা করতে বাধ্য হয়েছে কিন্ত আমাদের নেটওয়ার্ক বন্ধ হয়নি। আমরা আমাদের সেবার মান আরো উন্নত করেছি বললেন মাহতাব উদ্দিন।

ভার্চুয়াল শোতে আরো উপস্থিত ছিলেন কনটেন্ট প্রোভাইডার অ্যান্ড এগ্রিগেটর অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ এর জেনারেল সেক্রেটারি রফিউর রহমান খান ইউসুফজাই। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ইন্সপায়ারিং বাংলাদেশ এর প্রতিষ্ঠাতা ইমরান ফরহাদ। অনুষ্ঠানটির সহযোগিতায় বিয়িং।

The post ‘ডিজিটাল বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাস্তবতা ফাইভজি’ appeared first on Digi Bangla.

Leave a Reply

%d bloggers like this: