স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম বলেন, আমরা করোনা পরবর্তী সময়ে লেনদেনটাকে কয়েকগুণ বাড়াতে চাই। বর্তমানে ১ হাজার কোটি টাকার লেনদেনকে ৫ হাজার কোটিতে নিতে কাজ করতে চাই। আমি কোন শেয়ার কিনক তা আরেকজন ঠিক করে দিলে পুঁজিবাজারের সুষ্ঠ পরিবেশ থাকে না।

রোববার ‘বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহ’ উপলক্ষে ডিএসই ব্রোকার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ডিবিএ)‘ ব্রোকার হাউসের সেবা ও বিনিয়োগকারীর অধিকার’ শীর্ষক ওয়েবিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডিবিএর প্রেসিডেন্ট শরীফ আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্যানেল আলোচক হিসেবে অংশ নেন বিএসইসির কমিশনার ড. শেখ সামসুদ্দিন আহমেদ, নির্বাহী পরিচালক মো. সাইফুর রহমান।

শিবলী রুবাইয়াত বলেন, অধিকাংশ মানুষই সুশাসন চায়। এর অর্থ তারা চায় নিয়মনীতি মেনে চলতে। এখন কেউ যদি এই নীতি মেনে নিতে না চান, সেক্ষেত্রে আমাদের কি করার আছে। আমরা নতুন কিছুর জন্য কাউকে জোরাজুরি করিনা। আমরা চাই, বিনিয়োগকারীর বিনিয়োগের নিরাপত্তা দিতে। তাই আমাদের মনে হয়েছে সুশাসনটা জরুরি।

সেকেন্ডারি মার্কেটে লেনদেন কম হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রাইমারি মার্কেটে কিছুটা মুভমেন্ট হওয়ায় হয়তো এমন হচ্ছে। কিছু জমে থাকা আইপিও অনুমোদনের কারণে প্রাইমারি মার্কেটে একটিভিটিজ বেড়েছে। এ কারনে কিছুদিন লেনদেনে বর্তমান অবস্থা বিদ্যমান থাকতে পারে।

আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে- নিয়মনীতি ঠিক রাখা। আমরা বাজারের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে চাই না। বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ নিশ্চয়তা দেওয়ার জন্য এখন ‘জেড’ ক্যাটাগরির কোম্পানিগুলো ঠিক করার চেষ্টা করছি। এই ক্যাটাগরিতে নেমে যাওয়ার কারণ অনুসন্ধান করছি। এ কাজ করতে গিয়ে ভালো রেজাল্টও পাচ্ছি। অনেকে ভালো অবস্থানে ফিরে যাচ্ছে। তবে অল্পকিছু কোম্পানির অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তারা হয়তো বিদেশ চলে গেছেন।

শিবলী রুবাইয়াত বলেন, আমরা দায়িত্ব নিয়েই আপনাদের বিভিন্ন ধরনের কষ্ট দেখেছি। বাজারটিতে লেনদেন এবং সূচক অনেক নিচের দিকে ছিল। তখন অনেক ব্রোকার অনেক রকম সমস্যার কথা বলেছেন। অনেকের চাকরি চলে যাচ্ছিল, বেতন পাচ্ছিল না ঠিকমতো। তাই আমাদের ভাইব্রেন্ট মার্কেট খুব জরুরি।

পুঁজিবাজারে বেচা-কেনা নিয়ে তিনি বলেন, কে কবে শেয়ার কিনবে আর কবে বেচবে- এটা যার যার নিজস্ব ইচ্ছা। আমি কোন শেয়ার বা কোন খাত কিনব, সেটা যদি আরেকজন ঠিক করে দেয়, তাহলেতো বাজারের সুষ্ঠ পরিবেশ থাকে না। আমরা করোনা পরবর্তী সময়ে লেনদেনটাকে কয়েকগুণ বাড়াতে চাই। বর্তমানের ১ হাজার কোটির টাকার লেনদেনকে ৫ হাজার কোটিতে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করতে চাই।

Leave a Reply

%d bloggers like this: